Breaking News
উইন্ডোজ কি | উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর বৈশিষ্ট্য

উইন্ডোজ কি | উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর বৈশিষ্ট্য

উইন্ডোজ কি | উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর বৈশিষ্ট্যঃ প্রিয় পাঠক আশা করি সবাই ভালো আছেন। আপনাকে আমাদের জব প্রিপারেশন (http://jobpreparations.com ) সাইটে স্বাগতম। আজকে আমরা আক্টি গুরুত্বপূর্ন টপিক নিয়ে আলোচনা করবো। আজকের আলোচ্য বিষ্য হচ্ছে- উইন্ডোজ কি | উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর বৈশিষ্ট্য। আমরা অনেকেই উইন্ডোজ কি | উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর বৈশিষ্ট্য জানি আবার অনেকেই জানি না। তো আজকে সবার জন্য নতুন করে নিয়ে এলাম উইন্ডোজ কি | উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর বৈশিষ্ট্য নিয়ে। চলো তাহলে শুরু করি।

উইন্ডোজ কি | উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর বৈশিষ্ট্য

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য
বর্তমানে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ছাড়াও অনেকগুলি নতুন অপারেটিং সিস্টেম বাজারে এসেছে। আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম অধিক ব্যবহার হলেও উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জনপ্রিয়তা বিশ্বের সর্বাধিক রয়েছে।

উইন্ডোজ শুধুমাত্র জনপ্রিয়তা অর্জন করে সীমাবদ্ধ থাকে নি, উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কারণ এর ব্যবহার এতটাই সহজে যে কোন ব্যবহারকারী প্রথমবার ব্যবহার করতে পারবে কোন ঝামেলা ছাড়াই। উইন্ডোজ ব্যবহার করা অধিক সহজ এবং সার্ভিস অনেক ভালো তাই অফিস-আদালত স্কুল-কলেজ সহজে কোন পেশার মানুষ এটি ব্যবহার করে থাকে। তবে যারা অপারেটিং সিস্টেমে প্রধানত বিশেষজ্ঞ অপারেটিং সিস্টেম এর প্রতি সম্পূর্ণ জ্ঞান রয়েছে শুধুমাত্র তারাই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকে।

সুতরাং এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি ব্যবহার করা অধিকতর সহজ, এবং এটি ব্যবহার করে সহজেই যেকোন সফটওয়্যার ইন্সটল করা যায় এবং কম্পিউটারের যেকোন কাজ সহজে সম্পাদন করা যায়।

Computer windows কি ? উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমগুলো কি কি

উইন্ডোজ (Windows): 

উইন্ডোজ (Windows): 
উইন্ডোজ (Windows): 

১৯৭৫ সালে বিল গেটস ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পল এলেন Microsoft Corporation প্রতিষ্ঠা করেন। উইন্ডোজ হলো মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।

মাইক্রোসফট উইন্ডোজ মাইক্রোসফট কর্পোরেশন দ্বারা তৈরি এবং বিক্রিত গ্রাফিকাল অপারেটিং সিস্টেমের পরিবার। গ্রাফিকাল অপারেটিং সিস্টেমের প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের প্রেক্ষিতে ১৯৮৫ সালের নভেম্বরে মাইক্রোসফট তার এমএস ডস (ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম) এর বাড়তি সুবিধা হিসেবে উইন্ডোজ বাজারে আনে।

এমএস ডস (MS DOS)

মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি করা প্রথম অপারেটিং সিস্টেম হলো MS DOS এটি ১৬ বিটের একটি অপারেটিং সিস্টেম। MS DOS মূলত একটি বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম; যা ১৯৮১ সালে প্রথম অবমুক্ত করা হয়। -এটি বর্ণভিত্তিক হওয়ায় কি-বোর্ড এর মাধ্যমে কমান্ড লিখে কাজ করতে হয়। এই অপারেটিং সিস্টেমে শুধু একক ইউজার এবং একক প্রসেসর সমর্থন করে। এই অপারেটিং সিস্টেমে এক সাথে একাধিক প্রোগ্রাম পরিচালনা করা যায় না।

এমএস ডস (MS DOS)
এমএস ডস (MS DOS)

এমএস-ডস (ইংরেজিতে MS-DOS, যা Microsoft Disk Operating System-এর সংক্ষিপ্ত রূপ) মাইক্রোসফট কোম্পানির বাজারকৃত একটি অপারেটিং সিস্টেম। ডস পরিবারের অপারেটিং সিস্টেমগুলির মধ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এবং ১৯৮০-র দশকে পিসি-কম্প্যাটিবল প্ল্যাটফর্মগুলির বাজার দখলকারী প্ল্যাটফর্ম।

উইন্ডোজ ৯৫ (Windows 95) 

উইন্ডোজ ৯৫ হচ্ছে একটি ৩২ বিটের একটি অপারেটিং সিস্টেম। ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন এটি প্রথম অবমুক্ত করে। উইন্ডোজ ৯৫ তে সর্বপ্রথম Start Menu বা Start Button ব্যবহার করা হয়। এই অপারেটিং সিস্টেমটি বাজারে আসার সাথেই তৎকালীন সারা বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

উইন্ডোজ ৯৫ (Windows 95) 
উইন্ডোজ ৯৫ (Windows 95) 

উইন্ডোজ ৯৫ হচ্ছে একটি ৩২ বিটের একটি অপারেটিং সিস্টেম। ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন এটি প্রথম অবমুক্ত করে। উইন্ডোজ ৯৫ তে সর্বপ্রথম Start Menu বা Start Button ব্যবহার করা হয়। এই অপারেটিং সিস্টেমটি বাজারে আসার সাথেই তৎকালীন সারা বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

উইন্ডোজ ৯৮ (Windows 98 )

উইন্ডোজ ৯৮ অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ অপারেটিং সিস্টেমের একটি আপগ্রেড বা উন্নত ভার্সন । এটিও ৩২ বিটের একটি অপারেটিং সিস্টেম।

উইন্ডোজ এনটি/২০০০ ভার্সন (Windows NT/2000 Server)

‘NT’ দ্বারা বোঝায় নতুন ‘New Technology। ১৯৯৩ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন Windows NT বাজারে ছাড়ে। পরবর্তীতে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন একে সার্ভার ও ওয়ার্কস্টেশনে কাজের জন্য রূপান্তর করে। তখন এর নামকরণ করা হয় Windows 2000 Server

উইন্ডোজ এক্সপি (Windows XP)

উইন্ডোজ এক্সপি হচ্ছে একটি ৩২ বিটের একটি অপারেটিং সিস্টেম। মাইক্রোসফট কর্পোরেশন এর সর্বাধিক জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হলো Windows XP Windows XP দ্বারা বোঝানো হয় Windows experience। উইন্ডোজ এক্সপিতে একসাথে একাধিক ইউজার তৈরি করে রাখা যায় এবং প্রত্যেক ইউজারের ফাইল, ফোল্ডার, ডকুমেন্ট আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা যায়।

উইন্ডোজ ভিস্তা (Windows Vista) 

উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের পর মাইক্রোসফট কোম্পানি বাজারে নিয়ে আসে উইন্ডোজ ভিস্তা নামে নতুন একটি অপারেটিং সিস্টেম। একে উইন্ডোজ এক্সপি এর আপগ্রেড ভার্সনও বলা হয়। এই অপারেটিং সিস্টেমের ৩২ বিট এবং ৬৪ বিট সম্বলিত দুট সংস্করণ রয়েছে।

উইন্ডোজ ৭ (Windows 7 )

মাইক্রোসফট কোম্পানি ইন্টারফেসে উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেমে আগের সব ভার্সন থেকে সহজ করার মাধ্যমে বিশাল পরিবর্তন আনয়ন করে। Windows 7 অপারেটিং সিস্টেমে একটি নতুন ভিউ ফাইল স্টোরেজ স্ট্রাকচার ডেভেলপ করা হয়েছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘লাইব্রেরি’। এর মাধ্যমে একই উইন্ডো হতে বিভিন্ন স্টোরেজ লোকেশনে সহজে অ্যাকসেস করা যায়।

উইন্ডোজ ৮ (Windows 8 ) 

Windows 7 অপারেটিং সিস্টেমের পর বাজারে আসে Windows 8। এতে মাইক্রোসফটের মেট্রো ডিজাইন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে মাল্টিপল ইনপুট অপশন, যেমন- উইন্ডোজ ফোন এবং এক্সবক্স এর মতো টাচস্ক্রিন ইনপুট ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। Windows 8 মূলত Windows 7 এর আপগ্রেড ভার্সন।

উইন্ডোজ ১০ (Windows 10) 

উইন্ডোজ ৮-এর পরবর্তী এবং সর্বশেষ সংস্করণ হচ্ছে উইন্ডোজ ১০। এটি এক্সবক্স থেকে পিসি, ফোন, ট্যাবলেট এমনকি ক্ষুদ্র স্মার্টফোনগুলোতে চলবে। উইন্ডোজ ১০-এ একই সাথে একাধিক কাজ করার সুবিধার্থে যুক্ত হয়েছে। মাল্টি ডেস্কটপ ফিচার। এতে যুক্ত হয়েছে নতুন ওয়েব ব্রাউজার ‘Microsoft Edge’। এছাড়াও ‘কর্টানা’ নামে ভার্চুয়াল সহকারী হিসেবে নতুন ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এই ফিচারটি পিসিতে কোনো কিছু খুঁজে দিতে সাহায্য করে।

উইন্ডোজ ১১ (Windows 11)

উইন্ডোজ ১১ ( Windows-11) ২৪ জুন ২০২১-এ ঘোষিত উইন্ডোজ এনটি অপারেটিং সিস্টেমের একটা উল্লেখযোগ্য সংস্করণ। জনসাধারণের জন্য এটি ৫ অক্টোবর ২০২১-এর মুক্তি পেয়েছে, এবং উইন্ডোজ ১০ ব্যবহারকারীরা উইন্ডোজ ১০ (windows-10) আপডেট ফিচার ব্যবহার করে এটি বিনামূল্যে হালনাগাদ করতে পারবে

ডেস্কটপ (Desktop): 

কোনো কম্পিউটার চালু করার পর উইন্ডোজে যে প্রাথমিক স্ক্রিন প্রদর্শিত থাকে, তাকেই ডেস্কটপ বলে। Desktop সাধারণত Location: C-তে থাকে; অর্থাৎ, কম্পিউটারের Drive (C)-তে থাকে। উইন্ডোজ এক্সপি ভার্সনের ডিফল্ট সেটিংয়ে ডেস্কটপ নিম্নোক্ত অবজেক্ট থাকে।

My Computer

কোনো কম্পিউটারের My Computer ফোল্ডারের ভিতর সাধারণত ফ্লপি ড্রাইভ (A), হার্ড ডিস্ক (C), সিডি ড্রাইভ, ডিভিডি ড্রাইভ এবং কম্বো ড্রাইভের আইকন থাকে। আর My Computer সাধারণত Location: C/-তে থাকে; অর্থাৎ, কম্পিউটারের Drive (C)-তে থাকে।

My Document

কোনো কম্পিউটারের ডিফল্ট সেটিং অনুসারে My Document ফোল্ডারে বিভিন্ন ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য ফাইলসমূহ সংরক্ষিত হয়। My Document সাধারণত Location: C-তে থাকে; অর্থাৎ, কম্পিউটারের Drive (C)-তে থাকে। কম্পিউটারের My Document-এর সাবফোল্ডারসমূহ নিম্নরূপ

Downloads 

ইন্টারনেট থেকে কোন ফাইল ডাউনলোড করলে এ ফোল্ডার সংরক্ষিত হয়। My Picture: ডিজিটাল ক্যামেরা বা স্ক্যানার থেকে কোন ছবি ইনপুট করা হলে তা ডিফল্ট সেটিং অনুসারে এ ফোল্ডারে সংরক্ষিত হয়।

My Music 

এই ফোল্ডারে বিভিন্ন প্রকার মিউজিক থাকে।

My Video: এই ফোল্ডারে বিভিন্ন প্রকার ভিডিও থাকে। 

হার্ড ডিস্ক (Hard Disk) 

হার্ডটি হলো একটি কম্পিউটারের সেকেন্ডারি মেমোরি। বর্তমানে একটি কম্পিউটারে ভিতর একাধিক হার্ডডিস্ক থাকতে পারে। আবার একটি হ্যডডিস্ককেও কয়েকটি ভাগে ভাগ করে নেওয়া যায়। একটি হার্ডডিস্ককে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে নেওয়াকে কম্পিউটারের ভাষায় ‘পার্টিশন’ (Partition) বলা হয়। পার্টিশনগুলো C:\, D, E, F, G

ইত্যাদি নামে বিভক্ত করা হয়। Hard Disk সাধারণত Location: C-তে থাকে। অর্থাৎ, কম্পিউটারের Drive (C)-তে থাকে। কন্ট্রোল প্যানে (Control Panel): কন্ট্রোল প্যানেল এমন এক ক্ষেত্র, যেখানে রয়েছে উইন্ডোজের বহুসংখ্যক সেটিংয়ের নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। Control Panel সাধারণত Location: C-তে থাকে; অর্থাৎ, কম্পিউটারের Drive (C)- তে থাকে। কন্ট্রোল প্যানেলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপশন থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

  • Accessibility Options
  • Administrative Tools
  • Add Hardware
  • Automatic Update
  • Date and Time
  • Internet Option
  • Power Option
  • Phone and Modem Option
  • Taskbar and Start Menu
  • Windows Firewall
  • System
  • Fonts
  • Add or Remove Programs
  • Bluetooth Device
  • Network Connection
  • Security Option
  • User Accounts

Add or Remove Program

Add or Remove Program মূলত Control Panel-এর একটি প্রোগ্রাম। অর্থাৎ Add or Remove Program-টি Control Panel-এ থাকে। এর মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহারকারী কোনো প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে চাইলে তা কম্পিউটারে যুক্ত তথা Add করে। Add করার এ পদ্ধতিতে কম্পিউটারের ভাষায় ‘Install’ বলা হয়। আবার, কম্পিউটার ব্যবহারকারী কোনো প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে না চাইলে তা অপসারণ তথা Remove করতে পারেন। Remove করার পদ্ধতিকে কম্পিউটারের ভাষায় ‘Uninstall’ বলা হয়।

রিসাইকেল বিন (Recycle Bin)

কোনো ফাইল, ফোল্ডার, ওয়েবপেজ, গ্রাফিক্স ইত্যাদি Delete কমান্ড দিয়ে মুছে ফেললে তা রিসাইকেল বিন (Recycle Bin) এ সংরক্ষিত হয়। এখান থেকে প্রয়োজনবোধে কোন মুছে ফেলা ডাটা Restore তথা পুনরুদ্ধার করা যায়। কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, রসাইকেল বিন (Recycle Bin) থেকে Delete করা হলে তথ্যাবলি স্থায়ীভাব Delete তথা মুছে যায়, তখন আর পুনরায় ফিরিয়ে আনা যায় না। এখানে উল্লেখ্য কোন ফাইল, ফোল্ডার, ওয়েবপেজ, গ্রাফিক্স ইত্যাদি Shift+Delete কমান্ড দিয়ে মুছে ফেললে তা রিসাইকেল বিন (Recycle Bin)-এ জমা না হয়ে স্থায়ীভাবে Delete হয়ে যায়। অর্থাৎ তখন সেগুলো আর পুনরায় ফিরিয়ে আনা যায় না। রিসাইকেল বিন (Recycle Bin) মূলত একটি ট্রান্সজিট মেমোরি লোকেশন। Recycle Bin সাধারণত Location: C-তে থাকে। অর্থাৎ, কম্পিউটারের Drive (C)-তে থাকে।

টাস্কবার (Taskbar)

ডেস্কটপের নিচের দিকে Start লেখা সম্বলিত বারকে টাস্কবার বলে। টাস্কবারের বাম দিকে Start বাটন থাকে। এ বাটন থেকে বিভিন্ন প্রোগ্রাম, ফাইল ওপেন করা যায় এবং কম্পিউটার বন্ধ করা যায়। উইন্ডোজ ৯৫ তে সর্বপ্রথম Start menu বা Start button ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটারে Start menu-এর সার্চ অপশনটি ব্যবহার করে কোনো ফাইল, ফোল্ডার, ডকুমেন্ট খুব সজহেই খুঁজে বের করা যায়। Taskbar সাধারণত Location: C-তে থাকে। অর্থাৎ, কম্পিউটারের Drive (C)-তে থাকে।

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের প্রশ্ন এবং উত্তর


১. অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা সহজ?

উত্তরঃ উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা সহজ। শুধুমাত্র ইন্সটল করার পদ্ধতি গুলো সঠিক ভাবে অনুসরণ করলেই খুব সহজেই আপনারা নিজেরাই উইন্ডোজ ইন্সটল করতে পারবেন।

২. সর্বশেষ উইন্ডোজ আপডেট ভার্সন কোনটি?

উত্তরঃ সর্বশেষ আপডেট ভার্সন হচ্ছে উইন্ডোজ ১১।

৩. উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমটি বিনা মূল্যে কোথায় পাবো?

উত্তরঃ উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম আপনারা বিনামূল্যে এই microsoft.com ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

৪. উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম আপডেট দিতে হয় কেন?

উত্তরঃ উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম আপডেট দেওয়ার কারণ হচ্ছে মাইক্রোসফট কোম্পানি প্রতিনিয়ত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে নতুন কিছু সংযুক্ত করে। আর এই নতুন কিছু পাওয়ার জন্য বা এই নতুন কিছু ব্যবহারের সুবিধা নেয়ার জন্য আমাদের উইন্ডোজ আপডেট দেওয়ার প্রয়োজন হয়।

উপরে আমরা টেকনোলজি বিষয়ে কিছু লেখার চেষ্টা করছি। প্রিয় পাঠক আজকের আলোচনায় যদি কোন ভুল হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আর তাছাড়া আরো টেকনোলজি বিষ্যে পোস্ট পেতে টেকনোলজি ক্যাটাগরি গুরে আস্তে পারো। সবার শুভ কামনা করে শেষ করছি। ধন্যবাদ সবাকে আজকের পুরো পোস্ট পরার জন্য।

About job

Check Also

Microsoft 365 Research Highlights Cloud Vulnerabilities

Microsoft 365 Research Highlights Cloud Vulnerabilities

In a sequence that suggests pall services may be more vulnerable than numerous suppose, Proofpoint …

ইমেইল আইডি খোলার নিয়ম | নতুন Email Account খোলার নিয়ম

ইমেইল আইডি খোলার নিয়ম | নতুন Email Account খোলার নিয়ম

ইমেইল আইডি খোলার নিয়ম | নতুন Email Account খোলার নিয়মঃ প্রিয় পাঠক, আশা করি ভালো …

Leave a Reply

Your email address will not be published.